, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

কাজিপুরের সহকারি শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • ১৯৪ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান অর্থ আত্মস্যাৎসহ নানা অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। প্রতিকার চেয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্য দপ্তরে পত্র প্রেরণ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ এক ঠিকাদার। এসএম শামিম রেজা নামের এই ঠিকাদার দুই যুগ যাবৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সামগ্রী সরবরাহের কাজে জড়িত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে গত মে মাসে তিনি শিক্ষকদের ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এ সংক্রান্ত পত্রে একসাথে তিরিশ জনের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে না মর্মে উল্লেখ থাকলেও তিনি ষাটজনকে এসাথে প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এবং খরচের টাকা থেকে নিজে অর্থ গ্রহণ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক প্রশিক্ষনার্থী শিক্ষক বিষয়টি স্বীকার করেছেন।কিন্তু চাকুরির ভয়ে কেউ মুখ ফুটে কিছু বলেননি। শুধু তাই নয় ্ে িসহকারি শিক্ষা অফিসার তার ক্লাস্টারের আওতাধীন বিদ্যালয়গুলির রুটিন মেরামত, স্লিপের কাজ, ক্ষুদ্র মেরামত ও বিদ্যালয় সংস্কারের মতো নিয়ম ভেঙ্গে কাজগুলো নিজেই করেন। তার নিয়োগকরা ব্যক্তি কাজগুলো করেন। এরফলে ওই কাজের মান যাচাইয়ের আর কোন সুযোগই থাকছে না। তিনি নিজেই কাজের মান সন্তোষজনক বলে লিখিত প্রতিবেদন প্রদান করেন। সম্প্রতি তিনি পদাধিকার বলে তার ক্লাস্টারের বিদ্যালয়গুলোর সভাপতি হয়েছেন। এর ফলে তিনি আরও বেপরোয়াভাবে নিম্মমানের কাজ করছেন তার পছন্দের লোক দ্বারা। এদিকে প্রধান শিক্ষকেরা এই অফিসারের ভয়ে কিছু বলতেও পারেন না।লিখিত অভিযোগে শামীম রেজা আরও জানান, গত ২০২৩ সালের কুড়িটি বিদ্যালয়ের কাজ করেন।এই কাজের বিল একলক্ষ টাকা শিক্ষকদের নিকট থেকে নিয়ে নেন সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ। তিনি মাত্র কুড়ি হাজার টাকা প্রদান করেন।বাকি৮০ হাজার টাকা এখনো পরিশোধ করেননি বলে জানান শামীম রেজা।সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ ষাটজনের একসাথে প্রশিক্ষণের বিষয়ে বলেন, সময় ছিলো না।তাই এমনটি করেছেন। আর আশি হাজার টাকার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে জানান, আমি এসবের মধ্যে নেই।শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

কাজিপুরের সহকারি শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান অর্থ আত্মস্যাৎসহ নানা অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। প্রতিকার চেয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্য দপ্তরে পত্র প্রেরণ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ এক ঠিকাদার। এসএম শামিম রেজা নামের এই ঠিকাদার দুই যুগ যাবৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সামগ্রী সরবরাহের কাজে জড়িত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন কাজিপুর উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে গত মে মাসে তিনি শিক্ষকদের ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এ সংক্রান্ত পত্রে একসাথে তিরিশ জনের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে না মর্মে উল্লেখ থাকলেও তিনি ষাটজনকে এসাথে প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। এবং খরচের টাকা থেকে নিজে অর্থ গ্রহণ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক প্রশিক্ষনার্থী শিক্ষক বিষয়টি স্বীকার করেছেন।কিন্তু চাকুরির ভয়ে কেউ মুখ ফুটে কিছু বলেননি। শুধু তাই নয় ্ে িসহকারি শিক্ষা অফিসার তার ক্লাস্টারের আওতাধীন বিদ্যালয়গুলির রুটিন মেরামত, স্লিপের কাজ, ক্ষুদ্র মেরামত ও বিদ্যালয় সংস্কারের মতো নিয়ম ভেঙ্গে কাজগুলো নিজেই করেন। তার নিয়োগকরা ব্যক্তি কাজগুলো করেন। এরফলে ওই কাজের মান যাচাইয়ের আর কোন সুযোগই থাকছে না। তিনি নিজেই কাজের মান সন্তোষজনক বলে লিখিত প্রতিবেদন প্রদান করেন। সম্প্রতি তিনি পদাধিকার বলে তার ক্লাস্টারের বিদ্যালয়গুলোর সভাপতি হয়েছেন। এর ফলে তিনি আরও বেপরোয়াভাবে নিম্মমানের কাজ করছেন তার পছন্দের লোক দ্বারা। এদিকে প্রধান শিক্ষকেরা এই অফিসারের ভয়ে কিছু বলতেও পারেন না।লিখিত অভিযোগে শামীম রেজা আরও জানান, গত ২০২৩ সালের কুড়িটি বিদ্যালয়ের কাজ করেন।এই কাজের বিল একলক্ষ টাকা শিক্ষকদের নিকট থেকে নিয়ে নেন সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ। তিনি মাত্র কুড়ি হাজার টাকা প্রদান করেন।বাকি৮০ হাজার টাকা এখনো পরিশোধ করেননি বলে জানান শামীম রেজা।সহকারি শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ ষাটজনের একসাথে প্রশিক্ষণের বিষয়ে বলেন, সময় ছিলো না।তাই এমনটি করেছেন। আর আশি হাজার টাকার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে জানান, আমি এসবের মধ্যে নেই।শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।