, শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীপুরের টেংরা মোড় পুলিশে উপর হামলা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু কালিয়াকৈরে বিএনপি’র নতুন সদস্য সংগ্রহের ফরম বিতরণ ও নবায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ধুনটে তরুণদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নি’হ’ত ‎ শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে — ভিপি পাশা দেশ ও জাতির কল্যাণে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: অধ্যক্ষ আব্দুল হক আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জহুরুল ইসলাম নানু মন্ডল কালিয়াকৈরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

পাটগ্রাম থানায় হামলা ভাংচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৫, বহিস্কার ২

এস.বি-সুজন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে ছিনিয়ে নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে একজন সোহেল রানা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানায় হামলার ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় এ পর্যন্ত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গ্রেপ্তার সবাই বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরনবী কাজলকে গ্রেপ্তার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন- পাটগ্রামের মাসুদ রানা ও রবিউল ইসলাম এবং হাতীবান্ধার মাহফুজার রহমান বিপ্লব।

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে যুক্ত থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে পাটগ্রাম উপজেলা বিএনপির সদস্য বাদশা জাহাঙ্গীর মোস্তাজির চপল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। তারা দুজনই পাটগ্রাম থানায় দায়ের মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি।

পাথর কোয়ারির রয়্যালটির নামে গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত বুধবার (২ জুলাই) রাতে সোহেল ও বেলালকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাস।

পরে তাদের ছিনিয়ে নিতে পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানকার থানা ভবনও অবরুদ্ধ করা হয়।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) তরিকুল ইসলাম বলেন, থানায় হামলার ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

শ্রীপুরের টেংরা মোড় পুলিশে উপর হামলা

পাটগ্রাম থানায় হামলা ভাংচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৫, বহিস্কার ২

প্রকাশের সময় : ০২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এস.বি-সুজন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে ছিনিয়ে নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে একজন সোহেল রানা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানায় হামলার ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় এ পর্যন্ত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গ্রেপ্তার সবাই বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরনবী কাজলকে গ্রেপ্তার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন- পাটগ্রামের মাসুদ রানা ও রবিউল ইসলাম এবং হাতীবান্ধার মাহফুজার রহমান বিপ্লব।

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে যুক্ত থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে পাটগ্রাম উপজেলা বিএনপির সদস্য বাদশা জাহাঙ্গীর মোস্তাজির চপল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। তারা দুজনই পাটগ্রাম থানায় দায়ের মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি।

পাথর কোয়ারির রয়্যালটির নামে গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত বুধবার (২ জুলাই) রাতে সোহেল ও বেলালকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাস।

পরে তাদের ছিনিয়ে নিতে পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানকার থানা ভবনও অবরুদ্ধ করা হয়।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) তরিকুল ইসলাম বলেন, থানায় হামলার ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।