, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

কলমাকান্দায় পারভীনের স্বপ্নের ঘর নির্মাণে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহযোগিতা

 

নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের পশ্চিম হাড়িগাতি গ্রামের অসহায় পারভীন বেগমের স্বপ্নের ঘর অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটানো এই নারীকে ঘর নির্মাণে সহায়তা করেছেন দুর্গাপুর-কলমাকান্দা এলাকার জনপ্রিয় নেতা, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

স্থানীয় ভিডিপি সদস্য মোঃ কায়েশ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে পারভীনের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ, চিকিৎসা ও ঘর নির্মাণে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছেন। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তায় কাঠ ও ফিলার দিয়ে ঘরের কাঠামো নির্মাণ হলেও অর্থাভাবে টিন ও ছাদ তৈরির কাজ আটকে যায়।

 

পরবর্তীতে মোঃ কায়েশ আহমেদ ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি গ্রহণ করেন। তাঁর নির্দেশনায় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ—কৈলাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির খান এবং ড. সেলিম, নবাব আলী,
সাবাশ খান, সাত্তার খান, মোস্তফা, লিটন মিয়া, জয়নাল আবেদীন প্রমুখের সঙ্গে পারভীনের অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

 

এরপর ২৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আর্থিক সহায়তায় টিনসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রী পাঠানো হয় এবং ঘরের ছাদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

 

ভিডিপি সদস্য মোঃ কায়েশ আহমেদ বলেন—
“এই ঘরটি শুধু একটি আশ্রয় নয়, বরং একজন অসহায় মায়ের সম্মান ও নিরাপত্তার প্রতীক। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।”
স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এটি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত। এ বিষয়ে ফৌজদার মিয়া নামের এক দিনমজুর বলেন,
“নিজেও অভাবী মানুষ, তবু পারভীনের অসহায়ত্ব দেখে ঘরের কাজে শ্রম দিয়েছি, সামান্য অর্থেও সাহায্য করেছি।”

 

সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহায়তায় আগে বিদ্যুৎ ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল। এবার টিনের ছাদ নির্মাণের মাধ্যমে পারভীনের স্থায়ী আশ্রয়ও বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। ভবিষ্যতে সরকারি পুনর্বাসন সুবিধা ও আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

কলমাকান্দায় পারভীনের স্বপ্নের ঘর নির্মাণে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহযোগিতা

প্রকাশের সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

 

নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের পশ্চিম হাড়িগাতি গ্রামের অসহায় পারভীন বেগমের স্বপ্নের ঘর অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটানো এই নারীকে ঘর নির্মাণে সহায়তা করেছেন দুর্গাপুর-কলমাকান্দা এলাকার জনপ্রিয় নেতা, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

স্থানীয় ভিডিপি সদস্য মোঃ কায়েশ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে পারভীনের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ, চিকিৎসা ও ঘর নির্মাণে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছেন। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তায় কাঠ ও ফিলার দিয়ে ঘরের কাঠামো নির্মাণ হলেও অর্থাভাবে টিন ও ছাদ তৈরির কাজ আটকে যায়।

 

পরবর্তীতে মোঃ কায়েশ আহমেদ ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি গ্রহণ করেন। তাঁর নির্দেশনায় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ—কৈলাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির খান এবং ড. সেলিম, নবাব আলী,
সাবাশ খান, সাত্তার খান, মোস্তফা, লিটন মিয়া, জয়নাল আবেদীন প্রমুখের সঙ্গে পারভীনের অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

 

এরপর ২৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আর্থিক সহায়তায় টিনসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রী পাঠানো হয় এবং ঘরের ছাদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

 

ভিডিপি সদস্য মোঃ কায়েশ আহমেদ বলেন—
“এই ঘরটি শুধু একটি আশ্রয় নয়, বরং একজন অসহায় মায়ের সম্মান ও নিরাপত্তার প্রতীক। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।”
স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এটি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত। এ বিষয়ে ফৌজদার মিয়া নামের এক দিনমজুর বলেন,
“নিজেও অভাবী মানুষ, তবু পারভীনের অসহায়ত্ব দেখে ঘরের কাজে শ্রম দিয়েছি, সামান্য অর্থেও সাহায্য করেছি।”

 

সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহায়তায় আগে বিদ্যুৎ ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল। এবার টিনের ছাদ নির্মাণের মাধ্যমে পারভীনের স্থায়ী আশ্রয়ও বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। ভবিষ্যতে সরকারি পুনর্বাসন সুবিধা ও আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।