, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

বাগেরহাটের জনমানুষের নেতা খান মনিরুল ইসলাম: রাজপথ থেকে কারাগার, আবার মানুষের মাঝে

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫
  • ২৭৮ পড়া হয়েছে

জিসান কবিরাজ, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক দৃঢ়চেতা নাম খান মনিরুল ইসলাম। বাগেরহাটে জন্ম নেওয়া এই নেতার রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রজীবন থেকেই। অল্প বয়সেই ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। সাহস, সংগঠন দক্ষতা এবং নেতৃত্বের কারণে দ্রুতই উঠে আসেন আলোচনায়।

পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন তিনি। অবিভক্ত ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্বশীল রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিশেষ আস্থা অর্জন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার পাশে থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে গিয়ে দলের ত্যাগী, নিবেদিত ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

রাজপথে লড়াই, কারাগারে দীর্ঘ সাত বছর

রাজনীতির মাঠে বরাবরই ছিলেন আপসহীন। গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে রাজপথে বারবার সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। স্বৈরাচারী শক্তির রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দাঁড়িয়ে ছিলেন দলের ঢাল হয়ে। কিন্তু এই ত্যাগ ও নিবেদনই একসময় কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বহুল আলোচিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আসামির তালিকায় নাম আসে খান মনিরুল ইসলামেরও। মামলাটি ব্যাপক সমালোচিত হলেও তাকে দীর্ঘ সাত বছর কারাভোগ করতে হয়।

এই সাত বছরে তিনি হারিয়েছেন জীবনের অনেক মূল্যবান সময়। ব্যক্তিগত সুখ-শান্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন, প্রিয় এলাকা বাগেরহাটের মানুষের সান্নিধ্য পাননি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেননি এবং ভোগ করেছেন চরম আর্থিক ক্ষতি। তবুও তার মনোবল ভেঙে পড়েনি। কারাগারেও ছিলেন অটল, দৃঢ়চেতা এবং সহযোদ্ধাদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।

স্বৈরাচার পতন ও মুক্তি অবশেষে ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর মুক্তি পান খান মনিরুল ইসলাম। সেদিন দীর্ঘ সাত বছরের কারাজীবনের অবসান হয়। মুক্তির পর তিনি ফিরে আসেন মানুষের মাঝে, ফিরে পান নিজের রাজনৈতিক পরিচিতি ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা।

আজ সেই দিনটির এক বছর পূর্তি। এই এক বছরে তিনি আবারও মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, এলাকার উন্নয়ন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকেছেন। বাগেরহাটবাসীর কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি তাদের ঘরের ছেলে, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

মানুষের ভালোবাসাই শক্তি

রাজনীতির দীর্ঘ সংগ্রাম, কারাগারের নিষ্ঠুর দিনগুলো এবং মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা—সবকিছু মিলিয়ে খান মনিরুল ইসলাম আজ বাগেরহাটের জনমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

বাগেরহাটের জনমানুষের নেতা খান মনিরুল ইসলাম: রাজপথ থেকে কারাগার, আবার মানুষের মাঝে

প্রকাশের সময় : ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫

জিসান কবিরাজ, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক দৃঢ়চেতা নাম খান মনিরুল ইসলাম। বাগেরহাটে জন্ম নেওয়া এই নেতার রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রজীবন থেকেই। অল্প বয়সেই ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। সাহস, সংগঠন দক্ষতা এবং নেতৃত্বের কারণে দ্রুতই উঠে আসেন আলোচনায়।

পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন তিনি। অবিভক্ত ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্বশীল রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিশেষ আস্থা অর্জন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার পাশে থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে গিয়ে দলের ত্যাগী, নিবেদিত ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

রাজপথে লড়াই, কারাগারে দীর্ঘ সাত বছর

রাজনীতির মাঠে বরাবরই ছিলেন আপসহীন। গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে রাজপথে বারবার সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। স্বৈরাচারী শক্তির রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দাঁড়িয়ে ছিলেন দলের ঢাল হয়ে। কিন্তু এই ত্যাগ ও নিবেদনই একসময় কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বহুল আলোচিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে আসামির তালিকায় নাম আসে খান মনিরুল ইসলামেরও। মামলাটি ব্যাপক সমালোচিত হলেও তাকে দীর্ঘ সাত বছর কারাভোগ করতে হয়।

এই সাত বছরে তিনি হারিয়েছেন জীবনের অনেক মূল্যবান সময়। ব্যক্তিগত সুখ-শান্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন, প্রিয় এলাকা বাগেরহাটের মানুষের সান্নিধ্য পাননি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেননি এবং ভোগ করেছেন চরম আর্থিক ক্ষতি। তবুও তার মনোবল ভেঙে পড়েনি। কারাগারেও ছিলেন অটল, দৃঢ়চেতা এবং সহযোদ্ধাদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।

স্বৈরাচার পতন ও মুক্তি অবশেষে ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর মুক্তি পান খান মনিরুল ইসলাম। সেদিন দীর্ঘ সাত বছরের কারাজীবনের অবসান হয়। মুক্তির পর তিনি ফিরে আসেন মানুষের মাঝে, ফিরে পান নিজের রাজনৈতিক পরিচিতি ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা।

আজ সেই দিনটির এক বছর পূর্তি। এই এক বছরে তিনি আবারও মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, এলাকার উন্নয়ন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকেছেন। বাগেরহাটবাসীর কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি তাদের ঘরের ছেলে, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

মানুষের ভালোবাসাই শক্তি

রাজনীতির দীর্ঘ সংগ্রাম, কারাগারের নিষ্ঠুর দিনগুলো এবং মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা—সবকিছু মিলিয়ে খান মনিরুল ইসলাম আজ বাগেরহাটের জনমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত