, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতা-কর্মী হত্যা মামলায়

  • প্রকাশের সময় : ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ আগস্ট ২০২৫
  • ৩০৪ পড়া হয়েছে

রমজান আলী, কোম্পানীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গুলি করে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতা-কর্মী হত্যার মামলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম ওরফে মানিক (৫৩)। তিনি বসুরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাল বেপারিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, নজরুল ইসলাম মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরসভার উপজেলা মসজিদ এলাকায় গুলিতে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতা-কর্মী নিহত হন। এ হত্যাকান্ডে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিহত জামায়াতকর্মী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো. আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে বাদল, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানসহ মোট ১১২ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের তালিকায় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপ-পরিদর্শক সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, শিশির কুমার বিশ্বাস ও উই ক্যা সিং মারমার নামও রয়েছে।

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতা-কর্মী হত্যা মামলায়

প্রকাশের সময় : ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ আগস্ট ২০২৫

রমজান আলী, কোম্পানীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গুলি করে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতা-কর্মী হত্যার মামলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম ওরফে মানিক (৫৩)। তিনি বসুরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাল বেপারিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, নজরুল ইসলাম মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরসভার উপজেলা মসজিদ এলাকায় গুলিতে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতা-কর্মী নিহত হন। এ হত্যাকান্ডে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিহত জামায়াতকর্মী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো. আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে বাদল, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানসহ মোট ১১২ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের তালিকায় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপ-পরিদর্শক সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, শিশির কুমার বিশ্বাস ও উই ক্যা সিং মারমার নামও রয়েছে।