, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

ঝিনাইগাতীতে যৌতুকের দাবি মেটাতে না পেরে স্বামীর ঘর করতে পারছে না গৃহবধূ

 

মোঃ বিল্লাল হোসেন, শেরপুর থেকেঃ

 

শেরপুরে যৌতুক লোভি স্বামীর যৌতুকের দাবি মেটাতে না পেরে স্বামীর ঘর করতে পারছে না গৃহবধূ হালিমা আক্তার (২৫)। হালিমা আক্তার উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মরহুম হযরত আলীর কন্যা। জানা গেছে গত ৭বছর পূর্বে হালিমা আক্তারের বিয়ে হয় একই গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে সোহেল রানার সাথে। অভিযোগে প্রকাশ বিয়ের সময় সোহেল রানাকে ২ লাখ টাকা যৌতুক দেয়া হয়।

 

তাদের দাম্পত্য জীবনে একজন কন্যা সন্তান ও রয়েছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুক লোভি সোহেল রানা ও তার পরিবারের সদস্যরা আরো ২ লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে হালিমা আক্তারকে চাপ দেয়। কিন্ত গৃহবধূ হালিমা আক্তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে না পাড়ায়। তার উপর নেমে আসে স্বামী ও শশুর বাড়ির লোকজনের অমানবিক নির্যাতন।

 

এক পর্যায়ে সোহেল রানা গত প্রায় ২ বছর পুর্বে হালিমা আক্তার ও তার সন্তানকে বাবার বাড়িতে রেখে যায়। গত দুই বছর ধরে সোহেল রানা স্ত্রী সন্তানের ভরনপোষণ করেন না। বর্তমানে সন্তানসহ বিধবা মাতা রাশিদা বেগম ঘরে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে হালিমা আক্তার ।

 

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোহেল রানা হালিমা আক্তারের বাবার বাড়িতে এসে পুনরায় ২ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করে। কিন্ত হালিমার মা রাশিদা বেগম সোহেল রানার দাবি মেটাতে না পাড়ায় সোহেল রানা উত্তেজিত হয়ে শশুর বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হালিমা আক্তারকে মারধর করে। পরে হালিমা আক্তার বাদি হয়ে স্বামীসহ শশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করনি।

 

অপর দিকে সোহেল রানা ও তার পরিবারের লোকজন হালিমা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজনকে প্রাননাশের হুমকি ও নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। ফলে হালিমা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো,আল আমিন বলেন এবিসয়ে ভিকটিমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

ঝিনাইগাতীতে যৌতুকের দাবি মেটাতে না পেরে স্বামীর ঘর করতে পারছে না গৃহবধূ

প্রকাশের সময় : ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

 

মোঃ বিল্লাল হোসেন, শেরপুর থেকেঃ

 

শেরপুরে যৌতুক লোভি স্বামীর যৌতুকের দাবি মেটাতে না পেরে স্বামীর ঘর করতে পারছে না গৃহবধূ হালিমা আক্তার (২৫)। হালিমা আক্তার উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মরহুম হযরত আলীর কন্যা। জানা গেছে গত ৭বছর পূর্বে হালিমা আক্তারের বিয়ে হয় একই গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে সোহেল রানার সাথে। অভিযোগে প্রকাশ বিয়ের সময় সোহেল রানাকে ২ লাখ টাকা যৌতুক দেয়া হয়।

 

তাদের দাম্পত্য জীবনে একজন কন্যা সন্তান ও রয়েছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুক লোভি সোহেল রানা ও তার পরিবারের সদস্যরা আরো ২ লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে দিতে হালিমা আক্তারকে চাপ দেয়। কিন্ত গৃহবধূ হালিমা আক্তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে না পাড়ায়। তার উপর নেমে আসে স্বামী ও শশুর বাড়ির লোকজনের অমানবিক নির্যাতন।

 

এক পর্যায়ে সোহেল রানা গত প্রায় ২ বছর পুর্বে হালিমা আক্তার ও তার সন্তানকে বাবার বাড়িতে রেখে যায়। গত দুই বছর ধরে সোহেল রানা স্ত্রী সন্তানের ভরনপোষণ করেন না। বর্তমানে সন্তানসহ বিধবা মাতা রাশিদা বেগম ঘরে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে হালিমা আক্তার ।

 

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোহেল রানা হালিমা আক্তারের বাবার বাড়িতে এসে পুনরায় ২ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করে। কিন্ত হালিমার মা রাশিদা বেগম সোহেল রানার দাবি মেটাতে না পাড়ায় সোহেল রানা উত্তেজিত হয়ে শশুর বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হালিমা আক্তারকে মারধর করে। পরে হালিমা আক্তার বাদি হয়ে স্বামীসহ শশুর বাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করনি।

 

অপর দিকে সোহেল রানা ও তার পরিবারের লোকজন হালিমা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজনকে প্রাননাশের হুমকি ও নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। ফলে হালিমা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো,আল আমিন বলেন এবিসয়ে ভিকটিমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।