, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ অবশেষে ধর্ষক গ্রেপ্তার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

মোঃসুলতান মাহমুদ,গাজীপুর প্রতিনিধি : মা-বাবার কর্মস্থলে থাকার সুযোগে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করতো বলরাম দাস নামের এক প্রতিবেশী। কিছুদিন পর শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ও পেটের পীড়ন দৃশ্য মান দেখে সন্দেহ হয় তাঁর মা-বাবার। কৌশলে বিষয়টি নিশ্চিত জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দিলে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অমানুষিক এমন ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী গ্রামে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলের দিকে গ্রেপ্তার বলরাম দাসকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক।

গ্রেপ্তার বলরাম দাস (৫০) উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত অর্জুণ সরকারের ছেলে।

ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় এক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার পিতা স্থানীয় বাজারে সেলুন দোকান পরিচালনা করেন এবং মা একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন।

থানায় মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা কাজ থেকে ফিরে দেখেন তার কন্যা পেটের ব্যথায় কষ্টভোগ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসায় কোনো উন্নতি হচ্ছিল না। এছাড়াও তার শারীরিক অস্বাভাবিক পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে ভয়ে না জানালেও পরে তার কাছ থেকে ধর্ষণের নির্মমতা প্রকাশ পায়। পরে ঘটনার শিকার শিশুটির পিতা উজ্জল দাসের দায়ের করা অভিযোগটি থানায় দিলে সেটি মামলা আকারে রজু হয়। একই রাতে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, মা-বাবা কর্মস্থলে থাকায় এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে অভিযুক্ত বলরাম দাস। সে শিশুটিকে চা ও বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত বলরামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক আকাশ বাংলা নিউজ
কে বলেন,’ শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়। একইদিন মামলা রুজুর পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামী বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় আসামীকে আদলতে পাঠানো হয়েছে। ভিক্টিমকে পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ অবশেষে ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

মোঃসুলতান মাহমুদ,গাজীপুর প্রতিনিধি : মা-বাবার কর্মস্থলে থাকার সুযোগে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করতো বলরাম দাস নামের এক প্রতিবেশী। কিছুদিন পর শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ও পেটের পীড়ন দৃশ্য মান দেখে সন্দেহ হয় তাঁর মা-বাবার। কৌশলে বিষয়টি নিশ্চিত জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দিলে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অমানুষিক এমন ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী গ্রামে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলের দিকে গ্রেপ্তার বলরাম দাসকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক।

গ্রেপ্তার বলরাম দাস (৫০) উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত অর্জুণ সরকারের ছেলে।

ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় এক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। তার পিতা স্থানীয় বাজারে সেলুন দোকান পরিচালনা করেন এবং মা একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন।

থানায় মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা কাজ থেকে ফিরে দেখেন তার কন্যা পেটের ব্যথায় কষ্টভোগ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসায় কোনো উন্নতি হচ্ছিল না। এছাড়াও তার শারীরিক অস্বাভাবিক পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে ভয়ে না জানালেও পরে তার কাছ থেকে ধর্ষণের নির্মমতা প্রকাশ পায়। পরে ঘটনার শিকার শিশুটির পিতা উজ্জল দাসের দায়ের করা অভিযোগটি থানায় দিলে সেটি মামলা আকারে রজু হয়। একই রাতে বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, মা-বাবা কর্মস্থলে থাকায় এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে অভিযুক্ত বলরাম দাস। সে শিশুটিকে চা ও বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত বলরামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক আকাশ বাংলা নিউজ
কে বলেন,’ শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়। একইদিন মামলা রুজুর পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামী বলরাম দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় আসামীকে আদলতে পাঠানো হয়েছে। ভিক্টিমকে পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’