, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

অভিমানে পরোপারে পাড়ি জমালেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ইসমতআরা!

  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৬ পড়া হয়েছে

মীর শাহীন স্টাফ রিপোর্টার লালমোহন (ভোলা):

ভোলার লালমোহন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ওড়না পেচিয়ে ইসমতআরা নামে ১১ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন ।

২৭ নভেম্ব বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইসমতআরা ওই এলাকার মোঃ মিজানুর রহমানের মেয়ে।

অভিমানী ইসমতআরা স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। ক্লাস শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসায় ফিরে বিকেলে আর মাদ্রাসায় না গিয়ে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলা করছিল। মাদ্রাসায় না গিয়ে খেলাধূলা করায় সেখান থেকে তার মা ফেরদৌস বেগম তাকে ডেকে নিয়ে রাগারাগি করতে গোসল করতে বাথরুমে পাঠায়।

দীর্ঘ সময় পরেও ইসমতআরা বাথরুম থেকে বের না হওয়ায় ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ফেরদৌস বেগম বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে তাকালে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় বাথরুমের দরজা ভেঙে ইসমতআরাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আত্নহত্যার এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিহত ইসমতআরার এ অনাকাঙ্খিত মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সহপাঠী ও আত্মীয় স্বজনরা বাকরূদ্ধ। এ ঘটনায় সচেতন নাগরিক সমাজ উদ্ধিগ্ন তারা বলছে,শিশুদের প্রতি বাবা মায়ের আরও অধিক সহনশীল শাসন ও যত্নশীল হওয়া জরুরি বলে মনে করছি।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

অভিমানে পরোপারে পাড়ি জমালেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ইসমতআরা!

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

মীর শাহীন স্টাফ রিপোর্টার লালমোহন (ভোলা):

ভোলার লালমোহন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ওড়না পেচিয়ে ইসমতআরা নামে ১১ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন ।

২৭ নভেম্ব বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইসমতআরা ওই এলাকার মোঃ মিজানুর রহমানের মেয়ে।

অভিমানী ইসমতআরা স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। ক্লাস শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসায় ফিরে বিকেলে আর মাদ্রাসায় না গিয়ে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলা করছিল। মাদ্রাসায় না গিয়ে খেলাধূলা করায় সেখান থেকে তার মা ফেরদৌস বেগম তাকে ডেকে নিয়ে রাগারাগি করতে গোসল করতে বাথরুমে পাঠায়।

দীর্ঘ সময় পরেও ইসমতআরা বাথরুম থেকে বের না হওয়ায় ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ফেরদৌস বেগম বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে তাকালে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় বাথরুমের দরজা ভেঙে ইসমতআরাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আত্নহত্যার এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিহত ইসমতআরার এ অনাকাঙ্খিত মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সহপাঠী ও আত্মীয় স্বজনরা বাকরূদ্ধ। এ ঘটনায় সচেতন নাগরিক সমাজ উদ্ধিগ্ন তারা বলছে,শিশুদের প্রতি বাবা মায়ের আরও অধিক সহনশীল শাসন ও যত্নশীল হওয়া জরুরি বলে মনে করছি।