, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৪ পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশে নতুন নেতৃত্ব হিসেবে যোগদান করেছেন জনাব শাহ মোঃ আব্দুর রউফ, যিনি বাংলাদেশ পুলিশের ২৭তম বিসিএস ব্যাচের একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও সুনামধন্য কর্মকর্তা। তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

‎নবাগত পুলিশ সুপার যোগদান শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চলমান অপরাধ প্রবণতা, মাদক নির্মূল অভিযান,ন চোরাচালান রোধ এবং সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

‎পুলিশ সুপার জনাব শাহ মোঃ আব্দুর রউফ জানান,
‎“ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি ঐতিহ্যবাহী এবং গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীকে দায়িত্বশীল, সৎ ও জনমুখী হতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

‎তিনি আরও বলেন, পুলিশের মূল কাজ জনগণের পাশে থাকা—
‎“থানা হবে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কোনো অপরাধী কিংবা অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তি যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না।”

‎সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি তিনি সৎ, নিষ্ঠাবান, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং পেশাদার আচরণ বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎ইতোপূর্বে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) এবং পিবিআই-এ দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও দায়িত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে পেশাগত জীবনে তিনি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

‎জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং জনগণ আরও নিরাপদ ও সেবা-সমৃদ্ধ পুলিশি কার্যক্রম উপভোগ করবে। তাঁর যোগদানকে ঘিরে পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

জেলায় নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীর আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
‎ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশে নতুন নেতৃত্ব হিসেবে যোগদান করেছেন জনাব শাহ মোঃ আব্দুর রউফ, যিনি বাংলাদেশ পুলিশের ২৭তম বিসিএস ব্যাচের একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও সুনামধন্য কর্মকর্তা। তাঁর যোগদানের মধ্য দিয়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

‎নবাগত পুলিশ সুপার যোগদান শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চলমান অপরাধ প্রবণতা, মাদক নির্মূল অভিযান,ন চোরাচালান রোধ এবং সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

‎পুলিশ সুপার জনাব শাহ মোঃ আব্দুর রউফ জানান,
‎“ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি ঐতিহ্যবাহী এবং গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীকে দায়িত্বশীল, সৎ ও জনমুখী হতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

‎তিনি আরও বলেন, পুলিশের মূল কাজ জনগণের পাশে থাকা—
‎“থানা হবে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কোনো অপরাধী কিংবা অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তি যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না।”

‎সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি তিনি সৎ, নিষ্ঠাবান, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং পেশাদার আচরণ বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎ইতোপূর্বে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) এবং পিবিআই-এ দায়িত্ব পালন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও দায়িত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে পেশাগত জীবনে তিনি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

‎জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং জনগণ আরও নিরাপদ ও সেবা-সমৃদ্ধ পুলিশি কার্যক্রম উপভোগ করবে। তাঁর যোগদানকে ঘিরে পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।