, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া আক্রান্ত

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ পড়া হয়েছে

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় পানি পান করে তিন শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ১ দিনের ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭:৩০টায় মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তারা জানায়, অসুস্থদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বেশিরভাগ শ্রমিকই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। সফিপুর তানহা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব শ্রমিক এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছেন তারা সবাই খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রায় সবারই ডায়রিয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদেরকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কারখানার কিছু শ্রমিক মামুন, রফিক ও শাবানা আক্তার জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭:৩০টায় থেকে অনেক শ্রমিকের মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হতে থাকে।তারপরও কারখানা ছুটি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকালে আমরা কারখানায় প্রবেশ করার পর আরও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তানহা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক খাদিজা আক্তার জানান, কারখানার পানি পানের পরই পেট ব্যথা,মাথা ব্যাথা শুরু হয়। তারপর ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি আমরা সবাই। মোয়েজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের শ্রমিকরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অসুস্থ সকল শ্রমিককে কারখানা কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় চার শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া আক্রান্ত

প্রকাশের সময় : ০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল পোশাক কারখানায় পানি পান করে তিন শতাধিক শ্রমিক ডায়রিয়া রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ১ দিনের ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭:৩০টায় মোয়াজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তারা জানায়, অসুস্থদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বেশিরভাগ শ্রমিকই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। সফিপুর তানহা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব শ্রমিক এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছেন তারা সবাই খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রায় সবারই ডায়রিয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদেরকে মহাখালী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। কারখানার কিছু শ্রমিক মামুন, রফিক ও শাবানা আক্তার জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭:৩০টায় থেকে অনেক শ্রমিকের মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হতে থাকে।তারপরও কারখানা ছুটি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকালে আমরা কারখানায় প্রবেশ করার পর আরও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তানহা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিক খাদিজা আক্তার জানান, কারখানার পানি পানের পরই পেট ব্যথা,মাথা ব্যাথা শুরু হয়। তারপর ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি আমরা সবাই। মোয়েজ উদ্দিন টেক্সটাইল কারখানার ডেপুটি ম্যানেজার মমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের শ্রমিকরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অসুস্থ সকল শ্রমিককে কারখানা কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।