এস.বি-সুজন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :
লালমনিরহাটে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ।
লালমনিরহাটের, আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের, গিলাবাড়ী গ্রামের মোস্তফার দোকানের পাশে সরকারি রাস্তার মাটি খনন করে পুকুর তৈরি এবং অবৈধভাবে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ১টি মেহগনি গাছ কেটে সরকারি রাস্তার উপরে ফেলে রাখে অভিযুক্তরা।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, ৩ সহদর আব্দুস সালাম, আবুল কালাম ও জামাদুল ইসলাম তারা সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের গিলাবাড়ী গ্রামের মৃত আজিজার রহমানের ছেলে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গিলাবাড়ী গ্রামে অভিযুক্ত জামাদুল ইসলাম দীর্ঘদিন মানুষের চলাচলের রাস্তাটি জবর দখল করে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করে আসছেন। এরি মাঝে আজ বুধবার দুপুরে ১ টি বড়ো আকারের মেহগনি গাছ কেটে রাস্তার পাশে ফেলে রাখেন।
এদিকে স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাঁধা দিলেও তাদের বাঁধায় কোনো কর্ণপাত না করে গাছটি কেটে ফেলেন তিনি ও তার ভাইয়েরা।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে কথা বলার চেষ্টা করলে বিবাদিগন উর্গমেজাজী হয়ে প্রতিবাদকারীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা সহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন ওই ৩ ভাই।
এ বিষয়ে জামাদুল বলেন, এই গাছটি আমি আমার জমিতে রোপণ করেছিলাম কিন্তু এখন রাস্তাটি সরকারি ভাবে রেকর্ডভুক্ত হওয়ায় আমি আমার গাছ কেটে নিচ্ছি। তাছাড়া আমি এসিল্যান্ড স্যার ও ইউএনও স্যারকে বলে এসেছি এবং সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে বিষয়টি অবগত করেই গাছটি কেটেছি ।
আর, এবিষয়ে সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি ঘটনাস্থলে আমার গ্রাম পুলিশ কে পাঠানো হয়েছে গাছটি নিয়ে এসে পরিষদের হেফাজতে রাখা হবে। এবং পরবর্তীতে ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি রাস্তার গাছ কাটা অবৈধ, যেহেতু সরকারি আইন অমান্য করে গাছটি কেটেছে সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।