, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা ধুনটে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কন্যা বিক্রির অভিযোগ কাজিপুরে দুই ট্রাকের সংঘর্ষ-আহত ১ কাজিপুরে প্যারামাউন্ট কিন্ডারগার্টেনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে অধ্যক্ষ এফাজ উদ্দিন তালুকদার খোকা’র ২৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাজিপুরে অভিযান, গাঁজার গাছসহ আটক ১ বগুড়া পরিত্যক্ত আ.লীগ অফিসে কাজিপুরের চটপটি ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার কাজিপুরে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন তারাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়

পাটগ্রাম থানায় হামলা ভাংচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৫, বহিস্কার ২

এস.বি-সুজন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে ছিনিয়ে নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে একজন সোহেল রানা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানায় হামলার ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় এ পর্যন্ত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গ্রেপ্তার সবাই বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরনবী কাজলকে গ্রেপ্তার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন- পাটগ্রামের মাসুদ রানা ও রবিউল ইসলাম এবং হাতীবান্ধার মাহফুজার রহমান বিপ্লব।

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে যুক্ত থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে পাটগ্রাম উপজেলা বিএনপির সদস্য বাদশা জাহাঙ্গীর মোস্তাজির চপল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। তারা দুজনই পাটগ্রাম থানায় দায়ের মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি।

পাথর কোয়ারির রয়্যালটির নামে গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত বুধবার (২ জুলাই) রাতে সোহেল ও বেলালকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাস।

পরে তাদের ছিনিয়ে নিতে পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানকার থানা ভবনও অবরুদ্ধ করা হয়।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) তরিকুল ইসলাম বলেন, থানায় হামলার ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

পাটগ্রাম থানায় হামলা ভাংচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ গ্রেফতার ৫, বহিস্কার ২

প্রকাশের সময় : ০২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এস.বি-সুজন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে ছিনিয়ে নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে একজন সোহেল রানা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানায় হামলার ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় এ পর্যন্ত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর মধ্যে আগেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গ্রেপ্তার সবাই বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নূরনবী কাজলকে গ্রেপ্তার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন- পাটগ্রামের মাসুদ রানা ও রবিউল ইসলাম এবং হাতীবান্ধার মাহফুজার রহমান বিপ্লব।

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে যুক্ত থেকে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে পাটগ্রাম উপজেলা বিএনপির সদস্য বাদশা জাহাঙ্গীর মোস্তাজির চপল এবং পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। তারা দুজনই পাটগ্রাম থানায় দায়ের মামলার এক ও দুই নম্বর আসামি।

পাথর কোয়ারির রয়্যালটির নামে গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত বুধবার (২ জুলাই) রাতে সোহেল ও বেলালকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাস।

পরে তাদের ছিনিয়ে নিতে পাটগ্রাম থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানকার থানা ভবনও অবরুদ্ধ করা হয়।

এ ঘটনায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) তরিকুল ইসলাম বলেন, থানায় হামলার ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।