, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

শ্রীমঙ্গলে পুলিশের এসআই মহিবুর রহমানের জোর প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎপৃষ্ট শিশুর জীবন বাঁচার সম্ভাবনা

  • প্রকাশের সময় : ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১২ পড়া হয়েছে

আবদাল মিয়া মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত মরণ পথযাত্রী শিশুর অক্সিজেন খুলে রাখার চেষ্টাকালে শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মহিবুরের জোর প্রচেষ্টার ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাচ্চার নাক থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করেও নেবুলাইজার টি ছিনিয়ে নিতে পারেনি। এস আই মহিবুরের অনুরোধ ও জোর প্রচেষ্টার ফলে ৭ বছরের শিশু সন্তানটি বেঁচে যেতে পারে বলে আশা করছেন চিকিৎসকসহ স্বজনরা।

ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্র থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ রোডস্থ মুক্তি মেডিকেয়ার নামক একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে আজ (১ অক্টোবর) বুধবার বিকেলে একই এলাকার লালবাগের (৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন অন্তর্গত) শানু মিয়ার ৭ বছরের ছেলে তাজিম ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে অসতর্ক অবস্থায় পার্শ্ববর্তী পূজার মণ্ডপে (লালবাগ সার্বজনীন পূজা সংসদ) মরিচ বাতির লাইটিং এর বিদ্যুৎতের তারের সাথে ঘুড়ির সুতা প্যাঁচ লেগে যায়।বিদ্যুতের তার থেকে ঘুড়ির সুতা ছুটাতে গিয়ে শিশুটির ঘাড়ে তারের একটি অংশ লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী দুই নারী ও এক পুরুষের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী মুক্তি মেডিকেলে বাচ্চাটিকে ভর্তি করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সাধ্যমত সর্বশেষ চেষ্টা করেও যখন বাচ্চার অবস্থার উন্নতি হয়নি। এরই মধ্যে মন্ডপের পাশে একটি বাচ্চার বিদ্যুৎপৃষ্টের সংবাদ পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার এসআই মহিবুর রহমান ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় রোগীর অবস্থা দেখতে হাসপাতালে (ক্লিনিকে) পৌঁছে। এর পূর্ব থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য হাসপাতালে বাচ্চাটিকে আরো উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলে দেয়। যেহেতু অন্য হাসপাতালে দ্রুত নিতে গেলে বাচ্চার নেবুলাইজার প্রয়োজন তাই স্বজনরা নেবুলাইজার সহ নিতে চাই কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে বাধা দেয় এ সময় এসআই মহিবুর রহমান কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন, কারণ বাচ্চাটির অবস্থা খুবই বিপদজনক, বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম, কিন্তু অনুরোধ মানতে রাজি হননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা লোকটি (তিনি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত) পরে এক পর্যায়ে জোরপূর্বক দ্রুত সিলিন্ডারসহ বাচ্চাটিকে কোলে তুলে এসআই মহিবুর রহমান নিজেই সিএনজিতে নিয়ে তুলেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেন যে আপনাদের খরচসহ সিলিন্ডারটি ফেরত আসবে। ক্লিনিকের লোকটি (ম্যানেজার) মানতে রাজি না, তিনি সিএনজিতে তোলার পরেও সেখানে গিয়েও নেবুলাইজারের সিলিন্ডার ধরে টানাটানি করলে স্থানীয়রা ক্ষেপে যায়।
এরূপ অবস্থা দেখে উপস্থিত এলাকাবাসী ক্ষেপে গিয়ে তাকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে সেখান থেকে মহিবুর রহমান ও আমাদের এক প্রতিনিধি তাকে সেইভ করে এ সময়ে স্থানীয়রা আওয়াজ তুলে এখানে যদি এলাকার মরণ পথযাত্রী বাচ্চার চিকিৎসার জন্য একটা সিলিন্ডার দিয়ে সাহায্য না করে তাহলে এখানে হসপিটাল থাকার দরকার নেই।এ কথা বলে এলাকাবাসীরা ক্ষেপে গেলে সেখানেও আবার তাদেরকে বুঝিয়ে সুজিয়ে-এসআই মহিবুর রহমান শান্ত করেন এবং বলেন, যদি হাসপাতালটি (ক্লিনিক) না থাকতো তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসাও আপনারা পেতেন না, এটা আপনাদের সম্পদ। পরে এলাকাবাসী শান্ত হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাচ্চাটি মৌলভীবাজারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে। তবে ২৪ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখতে হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাচ্চার অভিভাবকদের জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ডাক্তার অশোক চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমি তখন ছিলাম না একটা সমস্যার কথা শুনেছি, আমাদের যে ম্যানেজার মুরুব্বি মানুষ ওনাকে টানাহ্যাছরা করে শার্টের বোতাম ছিড়ে ফেলেছে। আপনাদের ম্যানেজার নেবুলাইজারের সিলিন্ডার ধরে টানাটানি করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি তো আমাকে বললেন যে তিনি রোগীর সাথে যেতে চাইছিল, কারণ নেবুলাইজারের নলটা বারবার খুলে যাচ্ছিল, এজন্য তিনি গাড়ির সামনে বসে যাইতে চাইলে তারা যাইতে দেয়নি বরং ওনাকে নাজেহাল করেছে, তিনি আরো জানান, আমাদের এখানে রোগী আসার পর আমাদের ডিউটিরত ডাক্তাররা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে, তারপরও আমাদের ম্যানেজারের সাথে এরকম করাটা ঠিক হয়নি তিনি একজন সিনিয়র মানুষ।
এছাড়াও এই ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এস আই মহিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছিল, একটি ছোট্ট শিশু ও উল্টিয়ে পড়ে আছে আমার চেষ্টা করার আমি করেছি, এবং এলাকাবাসী উত্তেজিত ছিল তাদেরকেও নিবারণ করেছি। তবে একটি হাসপাতাল (ক্লিনিক) কর্তৃপক্ষের উচিত মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করা শুধু অর্থের চিন্তা না করা। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালের (ক্লিনিক) ডাক্তার খুবই ভালো ব্যবহার করেছে তারা চেষ্টাও করেছে তবে দায়িত্বে থাকা লোকটির আচরণ ভালো হয়নি। দোয়া করি বাচ্চাটা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাক।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

শ্রীমঙ্গলে পুলিশের এসআই মহিবুর রহমানের জোর প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎপৃষ্ট শিশুর জীবন বাঁচার সম্ভাবনা

প্রকাশের সময় : ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

আবদাল মিয়া মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত মরণ পথযাত্রী শিশুর অক্সিজেন খুলে রাখার চেষ্টাকালে শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মহিবুরের জোর প্রচেষ্টার ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাচ্চার নাক থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করেও নেবুলাইজার টি ছিনিয়ে নিতে পারেনি। এস আই মহিবুরের অনুরোধ ও জোর প্রচেষ্টার ফলে ৭ বছরের শিশু সন্তানটি বেঁচে যেতে পারে বলে আশা করছেন চিকিৎসকসহ স্বজনরা।

ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্র থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ রোডস্থ মুক্তি মেডিকেয়ার নামক একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে আজ (১ অক্টোবর) বুধবার বিকেলে একই এলাকার লালবাগের (৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়ন অন্তর্গত) শানু মিয়ার ৭ বছরের ছেলে তাজিম ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে অসতর্ক অবস্থায় পার্শ্ববর্তী পূজার মণ্ডপে (লালবাগ সার্বজনীন পূজা সংসদ) মরিচ বাতির লাইটিং এর বিদ্যুৎতের তারের সাথে ঘুড়ির সুতা প্যাঁচ লেগে যায়।বিদ্যুতের তার থেকে ঘুড়ির সুতা ছুটাতে গিয়ে শিশুটির ঘাড়ে তারের একটি অংশ লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী দুই নারী ও এক পুরুষের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী মুক্তি মেডিকেলে বাচ্চাটিকে ভর্তি করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সাধ্যমত সর্বশেষ চেষ্টা করেও যখন বাচ্চার অবস্থার উন্নতি হয়নি। এরই মধ্যে মন্ডপের পাশে একটি বাচ্চার বিদ্যুৎপৃষ্টের সংবাদ পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার এসআই মহিবুর রহমান ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় রোগীর অবস্থা দেখতে হাসপাতালে (ক্লিনিকে) পৌঁছে। এর পূর্ব থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য হাসপাতালে বাচ্চাটিকে আরো উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলে দেয়। যেহেতু অন্য হাসপাতালে দ্রুত নিতে গেলে বাচ্চার নেবুলাইজার প্রয়োজন তাই স্বজনরা নেবুলাইজার সহ নিতে চাই কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে বাধা দেয় এ সময় এসআই মহিবুর রহমান কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন, কারণ বাচ্চাটির অবস্থা খুবই বিপদজনক, বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম, কিন্তু অনুরোধ মানতে রাজি হননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা লোকটি (তিনি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত) পরে এক পর্যায়ে জোরপূর্বক দ্রুত সিলিন্ডারসহ বাচ্চাটিকে কোলে তুলে এসআই মহিবুর রহমান নিজেই সিএনজিতে নিয়ে তুলেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেন যে আপনাদের খরচসহ সিলিন্ডারটি ফেরত আসবে। ক্লিনিকের লোকটি (ম্যানেজার) মানতে রাজি না, তিনি সিএনজিতে তোলার পরেও সেখানে গিয়েও নেবুলাইজারের সিলিন্ডার ধরে টানাটানি করলে স্থানীয়রা ক্ষেপে যায়।
এরূপ অবস্থা দেখে উপস্থিত এলাকাবাসী ক্ষেপে গিয়ে তাকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে সেখান থেকে মহিবুর রহমান ও আমাদের এক প্রতিনিধি তাকে সেইভ করে এ সময়ে স্থানীয়রা আওয়াজ তুলে এখানে যদি এলাকার মরণ পথযাত্রী বাচ্চার চিকিৎসার জন্য একটা সিলিন্ডার দিয়ে সাহায্য না করে তাহলে এখানে হসপিটাল থাকার দরকার নেই।এ কথা বলে এলাকাবাসীরা ক্ষেপে গেলে সেখানেও আবার তাদেরকে বুঝিয়ে সুজিয়ে-এসআই মহিবুর রহমান শান্ত করেন এবং বলেন, যদি হাসপাতালটি (ক্লিনিক) না থাকতো তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসাও আপনারা পেতেন না, এটা আপনাদের সম্পদ। পরে এলাকাবাসী শান্ত হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাচ্চাটি মৌলভীবাজারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে। তবে ২৪ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখতে হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাচ্চার অভিভাবকদের জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ডাক্তার অশোক চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমি তখন ছিলাম না একটা সমস্যার কথা শুনেছি, আমাদের যে ম্যানেজার মুরুব্বি মানুষ ওনাকে টানাহ্যাছরা করে শার্টের বোতাম ছিড়ে ফেলেছে। আপনাদের ম্যানেজার নেবুলাইজারের সিলিন্ডার ধরে টানাটানি করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি তো আমাকে বললেন যে তিনি রোগীর সাথে যেতে চাইছিল, কারণ নেবুলাইজারের নলটা বারবার খুলে যাচ্ছিল, এজন্য তিনি গাড়ির সামনে বসে যাইতে চাইলে তারা যাইতে দেয়নি বরং ওনাকে নাজেহাল করেছে, তিনি আরো জানান, আমাদের এখানে রোগী আসার পর আমাদের ডিউটিরত ডাক্তাররা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে, তারপরও আমাদের ম্যানেজারের সাথে এরকম করাটা ঠিক হয়নি তিনি একজন সিনিয়র মানুষ।
এছাড়াও এই ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এস আই মহিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছিল, একটি ছোট্ট শিশু ও উল্টিয়ে পড়ে আছে আমার চেষ্টা করার আমি করেছি, এবং এলাকাবাসী উত্তেজিত ছিল তাদেরকেও নিবারণ করেছি। তবে একটি হাসপাতাল (ক্লিনিক) কর্তৃপক্ষের উচিত মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করা শুধু অর্থের চিন্তা না করা। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালের (ক্লিনিক) ডাক্তার খুবই ভালো ব্যবহার করেছে তারা চেষ্টাও করেছে তবে দায়িত্বে থাকা লোকটির আচরণ ভালো হয়নি। দোয়া করি বাচ্চাটা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাক।