, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

আশাশুনির কুল্যার দাঁড়ার খাল উন্মুক্ত রাখার দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৩ পড়া হয়েছে

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান আশাশুনি(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার দাঁড়ারখাল উন্মুক্ত রাখা ও খাল উন্মুক্তের দাবীতে আন্দোলনকারীদের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুল্যা ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামে ভুক্তভোগি এলাকাবাসীর অংশ গ্রহনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন,আবু মুছা,বাবু মোল্যা,মহিউদ্দীন গাজী প্রমুখ। শত শত নারী-পুরুষ ও যুবকদের অংশ গ্রহনে বক্তাগণ বলেন,দাড়ার খাল ২১.৩৫ একর জমি নিয়ে একটি প্রবাহমান খাল। এই খালের মাধ্যমে মাদারবাড়িয়া,আইতলা,মহাজনপুর ও গুনাকরকাটি গ্রাম এলাকার প্রায় ৪০/৫০ হাজার বিঘা দুই ফসলী জমির পানি নিস্কাশনের একমাত্র খাল। দীর্ঘকাল,বিশেষ করে আওয়ামী স্বৈর শাসনের আমলে তাদের দোসররা খালটি ইজারা নিয়ে যথেচ্ছ ব্যবহার করে এসেছে। খালের বিভিন্ন স্থানে মাটির আড়াআড়ি বাঁধ,নেট পাটা দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ ও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে এসেছে। ফলে এসব জমিতে ধান ফসল উৎপাদন বলতে গেলে অসম্ভব হয়ে পড়ে। গত বছরও এলাকার কোন জমিতে ধান চাষ সম্ভব হয়নি। যারা চাষের চেষ্টা করে তাদের বীজতলা একাধিকবার তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এলাকাবাসী সচিব,বিভাগীয় কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। সবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমতি সাপেক্ষে এলাকার শত শত মানুষ খালের বাঁধ ও নেটপাটা অপসারন করে এলাকার পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করেন। তবে সময় পার হয়ে যাওয়ায় এবছর ধান চাষ করা সম্ভব হয়নি। চলতি মৌসুমে হাজার হাজার কৃষক তাদের সকল জমিতে স্ব উদ্যমে ধান চাষ করেছেন। বর্তমানে ধান ক্ষেতের দিকে তাকালে ধান ক্ষেতের দৃশ্য দেখে নয়ন জুড়িয়ে যাবে। কৃষকরা জানান,এ ভাবে মৌসুম শেষ হলে কৃষকরা এ বছর সর্বোচ্চ ফসল ঘরে তুলতে পারবে। বক্তাগণ আরও বলেন,উক্ত স্বার্থপর মানুষগুলো কৃষকদের কথা না ভেবে এবছর খালটি ইজারা নিয়েছে,কিন্তু কৃষকরা তাদের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছে,পানি নিস্কাশন বন্ধ করে বাঁধ,নেটপাটা দিতে দেওয়া হবেনা। তারপরও ইয়াছিনের নেতৃত্বে মঞ্জুরুল ইসলাম,কামরুল ইসলাম,মেম্বর লুৎফর রহমান কৃষকদের ধান চাষে প্রতিবন্ধকতা ও কৃষকদের জব্দ করার হীন স্বার্থ নিয়ে প্রথমে ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেন। ইউএনও উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে নিজেদের মধ্যে মিমাংসার আহবান জানান। স্খানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ সকলের স্বার্থে ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনায় সমর্থন জানালে কৃষকরা ফিরে আসে। কিন্তু ইজারা গ্রহিতারা সিদ্ধান্ত না মেনে ষড়যন্ত্র চালাতে থাকে এবং কচুয়া মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ইয়াছিন আলী বাদী হয়ে বিজ্ঞ ৮নং আমলী আদালত,সাতক্ষীরায় সিআর ৪৯৩/২৫ (আশাঃ) মামলা রুজু করেন। বিজ্ঞ আতালত পিবিআই এর উপর তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। এরপরও তারা থেমে নেই, বরং একের পর এক হুমকী-ধামকী দিয়ে চলেছে। বক্তাগণ দাবী করেন,এলাকার স্বার্থে খালটি উনমুক্ত রাখা হোক। ৪০/৫০ হাজার বিঘা ফসলী জমির দুই দুইটি ফসল রক্ষা,হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি নিমজ্জিতের হাত থেকে বাঁচান এবং এলাকাবাসীর সার্বিক কল্যাণে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সদয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

আশাশুনির কুল্যার দাঁড়ার খাল উন্মুক্ত রাখার দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান আশাশুনি(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার দাঁড়ারখাল উন্মুক্ত রাখা ও খাল উন্মুক্তের দাবীতে আন্দোলনকারীদের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুল্যা ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামে ভুক্তভোগি এলাকাবাসীর অংশ গ্রহনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন,আবু মুছা,বাবু মোল্যা,মহিউদ্দীন গাজী প্রমুখ। শত শত নারী-পুরুষ ও যুবকদের অংশ গ্রহনে বক্তাগণ বলেন,দাড়ার খাল ২১.৩৫ একর জমি নিয়ে একটি প্রবাহমান খাল। এই খালের মাধ্যমে মাদারবাড়িয়া,আইতলা,মহাজনপুর ও গুনাকরকাটি গ্রাম এলাকার প্রায় ৪০/৫০ হাজার বিঘা দুই ফসলী জমির পানি নিস্কাশনের একমাত্র খাল। দীর্ঘকাল,বিশেষ করে আওয়ামী স্বৈর শাসনের আমলে তাদের দোসররা খালটি ইজারা নিয়ে যথেচ্ছ ব্যবহার করে এসেছে। খালের বিভিন্ন স্থানে মাটির আড়াআড়ি বাঁধ,নেট পাটা দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ ও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে এসেছে। ফলে এসব জমিতে ধান ফসল উৎপাদন বলতে গেলে অসম্ভব হয়ে পড়ে। গত বছরও এলাকার কোন জমিতে ধান চাষ সম্ভব হয়নি। যারা চাষের চেষ্টা করে তাদের বীজতলা একাধিকবার তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এলাকাবাসী সচিব,বিভাগীয় কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। সবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমতি সাপেক্ষে এলাকার শত শত মানুষ খালের বাঁধ ও নেটপাটা অপসারন করে এলাকার পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করেন। তবে সময় পার হয়ে যাওয়ায় এবছর ধান চাষ করা সম্ভব হয়নি। চলতি মৌসুমে হাজার হাজার কৃষক তাদের সকল জমিতে স্ব উদ্যমে ধান চাষ করেছেন। বর্তমানে ধান ক্ষেতের দিকে তাকালে ধান ক্ষেতের দৃশ্য দেখে নয়ন জুড়িয়ে যাবে। কৃষকরা জানান,এ ভাবে মৌসুম শেষ হলে কৃষকরা এ বছর সর্বোচ্চ ফসল ঘরে তুলতে পারবে। বক্তাগণ আরও বলেন,উক্ত স্বার্থপর মানুষগুলো কৃষকদের কথা না ভেবে এবছর খালটি ইজারা নিয়েছে,কিন্তু কৃষকরা তাদের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েছে,পানি নিস্কাশন বন্ধ করে বাঁধ,নেটপাটা দিতে দেওয়া হবেনা। তারপরও ইয়াছিনের নেতৃত্বে মঞ্জুরুল ইসলাম,কামরুল ইসলাম,মেম্বর লুৎফর রহমান কৃষকদের ধান চাষে প্রতিবন্ধকতা ও কৃষকদের জব্দ করার হীন স্বার্থ নিয়ে প্রথমে ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেন। ইউএনও উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে নিজেদের মধ্যে মিমাংসার আহবান জানান। স্খানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ সকলের স্বার্থে ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনায় সমর্থন জানালে কৃষকরা ফিরে আসে। কিন্তু ইজারা গ্রহিতারা সিদ্ধান্ত না মেনে ষড়যন্ত্র চালাতে থাকে এবং কচুয়া মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ইয়াছিন আলী বাদী হয়ে বিজ্ঞ ৮নং আমলী আদালত,সাতক্ষীরায় সিআর ৪৯৩/২৫ (আশাঃ) মামলা রুজু করেন। বিজ্ঞ আতালত পিবিআই এর উপর তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। এরপরও তারা থেমে নেই, বরং একের পর এক হুমকী-ধামকী দিয়ে চলেছে। বক্তাগণ দাবী করেন,এলাকার স্বার্থে খালটি উনমুক্ত রাখা হোক। ৪০/৫০ হাজার বিঘা ফসলী জমির দুই দুইটি ফসল রক্ষা,হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি নিমজ্জিতের হাত থেকে বাঁচান এবং এলাকাবাসীর সার্বিক কল্যাণে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সদয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন।