, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

সাংবাদিক এস এম হায়াত উদ্দিন হ*ত্যা মামলায় আটক -২

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৯ পড়া হয়েছে

জিসান কবিরাজ, খুলনা জেলা প্রাতিনিধি :  বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর সাংবাদিক এস. এম. হায়াত উদ্দিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন করে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ডিবির ওসি শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম রাজধানীর সাভার আশুলিয়া পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় “নিউ গোল্ডেন সিটি” নামের একটি আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১১৮ নম্বর কক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলো— বাগেরহাট সদর উপজেলার গোপালকাটির মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ ওমর ফারুক ওরফে ইমন হাওলাদার (২৫) ও মোঃ আব্দুল হাই এর ছেলে মোঃ আশিকুল ইসলাম ওরফে আশিক (২৫)।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর তারা ঢাকায় পালিয়ে যায় এবং আশুলিয়ায় লুকিয়ে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর সোমবার (৬ অক্টোবর) তাদের বাগেরহাট সদর মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নং-০২, তারিখ ০৬/১০/২০২৫-এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে হত্যার দায় স্বীকার করে।

ডিবির ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমাদের টিম নিরলসভাবে কাজ করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল আসামিদের গ্রেফতার করতে পেরেছি—এটি পুলিশের বড় সাফল্য।

তবে এ ঘটনায় বাগেরহাট জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাগেরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ ও সাংবাদিক মহল বলছে— আমরা প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যদি কেউ পেছন থেকে এই হত্যার নকশা এঁকে থাকে, তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাংবাদিক হায়াত উদ্দিনের মৃত্যু শুধু পরিবার নয়, পুরো জেলার গণমাধ্যম অঙ্গনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ডিবি পুলিশের এই দ্রুত অভিযান প্রশংসিত হলেও, বাগেরহাটবাসী এখন দাবি জানাচ্ছে—হত্যার পেছনের মূলহোতাদেরও যেন চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

জনপ্রিয়

বগুড়ায় হ্যাভেন ৮৭ সোসাল অর্গানাইজেশনের উদ্দোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন

সাংবাদিক এস এম হায়াত উদ্দিন হ*ত্যা মামলায় আটক -২

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

জিসান কবিরাজ, খুলনা জেলা প্রাতিনিধি :  বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর সাংবাদিক এস. এম. হায়াত উদ্দিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন করে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ডিবির ওসি শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম রাজধানীর সাভার আশুলিয়া পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় “নিউ গোল্ডেন সিটি” নামের একটি আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১১৮ নম্বর কক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলো— বাগেরহাট সদর উপজেলার গোপালকাটির মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ ওমর ফারুক ওরফে ইমন হাওলাদার (২৫) ও মোঃ আব্দুল হাই এর ছেলে মোঃ আশিকুল ইসলাম ওরফে আশিক (২৫)।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর তারা ঢাকায় পালিয়ে যায় এবং আশুলিয়ায় লুকিয়ে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর সোমবার (৬ অক্টোবর) তাদের বাগেরহাট সদর মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নং-০২, তারিখ ০৬/১০/২০২৫-এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে হত্যার দায় স্বীকার করে।

ডিবির ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমাদের টিম নিরলসভাবে কাজ করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল আসামিদের গ্রেফতার করতে পেরেছি—এটি পুলিশের বড় সাফল্য।

তবে এ ঘটনায় বাগেরহাট জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বাগেরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ ও সাংবাদিক মহল বলছে— আমরা প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যদি কেউ পেছন থেকে এই হত্যার নকশা এঁকে থাকে, তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাংবাদিক হায়াত উদ্দিনের মৃত্যু শুধু পরিবার নয়, পুরো জেলার গণমাধ্যম অঙ্গনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ডিবি পুলিশের এই দ্রুত অভিযান প্রশংসিত হলেও, বাগেরহাটবাসী এখন দাবি জানাচ্ছে—হত্যার পেছনের মূলহোতাদেরও যেন চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।