, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, চকরিয়ায় নারী আটক ডিমলায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে সেনা সদস্যসহ আটক পাঁচ অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হ্যাভেন ৮৭-এর কম্বল বিতরণ কর্মসূচি লালমনিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আ’লীগ নেতার বাড়িতে ওসির গোপন বৈঠকের অভিযোগ লালমনিরহাটের সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি রাস্তা থেকে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ রাতে আধারে ঘুরে অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ লালমনিরহাটে তিনটি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

বগুড়া সারিয়াকান্দীতে চন্দনা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কাজল চন্দ্র গ্রেপ্তার

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬২ পড়া হয়েছে

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দীতে চন্দনা রানী হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি কাজল চন্দ্র (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার সাভার থানার হেমায়েতপুরের ঋষিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎ র‍্যাব-১২ এর সিপিএসসি বগুড়া এবং র‍্যাব-৪ এর সিপিসি-২ সাভারের যৌথ অভিযানে এ গ্রেপ্তার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃত কাজল চন্দ্র সারিয়াকান্দি উপজেলার বলাইল গ্রামের জুরেন চন্দ্রের ছেলে।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম চন্দনা রানী ২০১৯ সালে সারিয়াকান্দি থানার বলাইল গ্রামে নয়ন চন্দ্রের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে থাকার সময় চন্দনার চাচাতো দেবর কাজল চন্দ্রের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে কাজল চন্দনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি তাতে রাজি হননি। পরবর্তীতে নানা ঘটনার জেরে চন্দনার সঙ্গে তার স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।

‎অভিযোগ অনুযায়ী, কাজল চন্দ্র বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে চন্দনাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে প্রায় চার মাস স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করেন। চলতি বছরের গত ১৪ জুন চন্দনা আবার কাজলের বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং জোরপূর্বক অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড বিষ ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। এরপর একটি সিএনজিযোগে তাকে তার পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পরিবারের লোকজন অসুস্থ অবস্থায় চন্দনাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চন্দনার কাকা বাদী হয়ে সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

‎ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা কাজল চন্দ্র গ্রেপ্তার এড়াতে ঢাকার সাভার এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সারিয়াকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ডিমলায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী পরিদর্শন

বগুড়া সারিয়াকান্দীতে চন্দনা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কাজল চন্দ্র গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দীতে চন্দনা রানী হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি কাজল চন্দ্র (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার সাভার থানার হেমায়েতপুরের ঋষিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎ র‍্যাব-১২ এর সিপিএসসি বগুড়া এবং র‍্যাব-৪ এর সিপিসি-২ সাভারের যৌথ অভিযানে এ গ্রেপ্তার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃত কাজল চন্দ্র সারিয়াকান্দি উপজেলার বলাইল গ্রামের জুরেন চন্দ্রের ছেলে।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম চন্দনা রানী ২০১৯ সালে সারিয়াকান্দি থানার বলাইল গ্রামে নয়ন চন্দ্রের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে থাকার সময় চন্দনার চাচাতো দেবর কাজল চন্দ্রের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে কাজল চন্দনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি তাতে রাজি হননি। পরবর্তীতে নানা ঘটনার জেরে চন্দনার সঙ্গে তার স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।

‎অভিযোগ অনুযায়ী, কাজল চন্দ্র বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে চন্দনাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে প্রায় চার মাস স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করেন। চলতি বছরের গত ১৪ জুন চন্দনা আবার কাজলের বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং জোরপূর্বক অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড বিষ ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। এরপর একটি সিএনজিযোগে তাকে তার পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পরিবারের লোকজন অসুস্থ অবস্থায় চন্দনাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চন্দনার কাকা বাদী হয়ে সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

‎ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা কাজল চন্দ্র গ্রেপ্তার এড়াতে ঢাকার সাভার এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সারিয়াকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।